KiHobe Latest Articles

Ashit Sharkar
  • 0

কিভাবে দিন মজুর থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে লাখপতি? পার্ট-২

  • 0
কিভাবে দিন মজুর থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে লাখপতি? পার্ট-২

Leave an answer

You must login to add an answer.

2 Answers

  1. রাজু হঠাৎ একদিন ফেইসবুকে দেখল যে মোবাইলে নাকি টাকা আয় করা যায়।সে শুরু করলো ইউটিউব ঘাটাঘাটি,ইউটিউবে সার্চ দিয়ে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায় কিভাবে কি করা যায় তা নিয়ে অনেক গবেষণা চালাতে থাকলো এবং অনেক চেষ্টা করল।কিন্তু অবশেষে ফলাফল জিরো কিছুই করতে পারল না সে।এভাবে হঠাৎ একদিন ইউটুবে তার চোখে পড়লো একটা ইন্টারভিউ ভিডিও যেখানে দেখাচ্ছে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়।সে সেটা খুব মনোযোগ সহকারে দেখল, তখন অবশ্য সে ভালো ইংরেজি জানত না তাই সে অনেক কস্ট করে গুগলে ট্রান্সলেটার ব্যবহার করে কনভারসেশন টা কে বাংলায় কনভার্ট করে বোঝার চেস্টা করল এবং সেই ইউটিউব চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করে রাখল।আর সেটাই ছিল তাঁর প্রথম ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব।

    তখন সে ফিল্যান্সিং বলতে যেটা বুঝেছিল যে দেশে বসে বিদেশের কাজ করাটাই হচ্ছে ফ্রীলান্সিং, আর সেটা হচ্ছে দেশে বসে গাড়ি চালানো বা অন্য কিছুর কাজ এর visa এর কাজ করা মনে হয় ফ্রিলেন্সিং।তখন ফ্রিল্যান্সিং নামটাই একদম নতুন ছিল তার কাছে।ইউটুবে সে ফ্রিল্যান্সিং লিখে সার্চ দিবে তা না দিয়ে সে বানান ভুল করে অন্য পিলেনকিন নাম দিয়ে অনেক সার্চ দিয়েছিল।কিন্তু কিছুই আসল না।কয়েকদিন পর ওই চ্যানেলে নতুন আরও একটি ভিডিও আপলোড হল ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে। তখন সে ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে দেখল এবং সে খুব ভালোভাবে ক্লিয়ার হলো যে ফ্রিল্যান্সিং জিনিসটা আসলেই কি? সে চিন্তা করল যে গ্রাফিক্স নিয়ে সে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করবে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার জন্য তার প্রয়োজন একটি ল্যাপটপ।কিন্তু ল্যাপটপ কিনতে তো অনেক টাকা লাগবে সে টাকা পাবে কোথায়? কিন্তু তার ল্যাপটপ কিনতেই হবে।

    সে টাকা জমানো শুরু করল, তার বাসায় একটি বড় লোহার চাকা ছিল, সেটি সে চুরি করে বিক্রি করল এবং সেটি বিক্রি করে পাচ হাজার টাকা পেল।অন্যদিকে সে আগের মত করে আবারো সকালে সুপারি কুড়াতে শুরু করল এবং দিনের বেলা রাজমিস্ত্রির সাথে কাজ এবং সন্ধ্যার সময় বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতে থাকল। তার ক্লেশ অফ ক্লেন এ প্রায় ১৫ টি ইউজার আইডি ছিল। সে একাই ১৫ টি আইডি ব্যবহার করে গেম খেলত।সে তার সবগুলো আইডি বিক্রি করে ফেলল এবং সেখান থেকে ৩ হাজার টাকা পেল।১৭ দিন পর গুনে দেখল যে তার সব মিলিয়ে ১৯ হাজার টাকা হয়েছে।সে ল্যাপটপ কেনার জন্য এতটাই মত্ত ছিল যে মাত্র ১৭ দিনে সে ১৯ হাজার টাকা ম্যানেজ করেছিল। তখন আর তর সইল না তার,কিনেই ফেলবে ল্যপটপ।অপেক্ষা করা অসম্বভ।পরে সে ওয়ালটনের শো-রুম গেল এবং সেখান থেকে মোটামুটি সেলেরন প্রসেসর এর একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার ১৯,৫০০ টাকা দিয়ে নিলো।

    তারপর সে শুরু করল কাজ।ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর দিয়ে গ্রাফিক্স এর কাজ করতে হয়।তখন সে ফটোশপ ১৮ ভার্সনের সফটওয়্যার টা ইন্সটল দিয়েছিল, কিন্তু তার কম্পিউটারে এই ফটোশপ সফটওয়্যার ওপেনই হচ্ছে না।ইলাস্ট্রেটর টা কোন রকমে ওপেন হয়েছিল।এভাবে অনেকদিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার পর অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইবার এ একটি অ্যাকাউন্ট ও খুলেছিল সে।অনলাইনে অনেক বিট করার পরও সে কোন কাজ পেল না আবারও ব্যর্থ সে।

    পরবর্তীতে সে ওই ইউটিউব চ্যানেলে দেখল যে কিভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করা যায়। শুরু করল ওয়েভ ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ। অনেকদিন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে গেল।একসময় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ভালো একটি দক্ষতা হওয়ার পর মার্কেটপ্লেসে শুরু হলো কাজ। কাজ ভালো করায় মোটামুটি মার্কেট থেকে অনেক কাজ আসতে থাকলো তার।১০০,২০০ডলার থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে তার এক একটা প্রজেক্ট ১০০০, ২০০০ ডলার পর্যন্ত হয়েছে।দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া একটি ছেলে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।

    এভাবে একদিন সে একটি নৌকায় করে কোথাও যাচ্ছে। তখন তার এক নাইজেরিয়ান ক্লাইন্ট তাকে ফোন করল এবং সে তার সাথে কথা বলল ইংরেজিতে ।ওই নৌকা তে ছিলেন একজন বাংলা সাহিত্যিক এবং প্রফেসর।তিনি রাজুকে জিজ্ঞেস করলেন যে সে কোন দেশে থাকে এবং কি করে? রাজু বলল যে সে বাংলাদেশের থাকে এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে।দেশে বসে বিদেশিদের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজকর্ম করে দেয়।রাজু তার সম্পূর্ণ ডিটেইলস বলল, তখন প্রফেসর তার সম্পূর্ণ ডিটেইলস শুনে অবাক হয়ে গেলেন। তখন তিনি তাদের এক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ওয়েব সাইট বানানোর অফার দিলেন এবং বললেন যে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একটি প্রোগ্রাম রিলেটেড এটি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেখানে আসবেন ।

  2. রাজু হঠাৎ একদিন ফেইসবুকে দেখল যে মোবাইলে নাকি টাকা আয় করা যায়।সে শুরু করলো ইউটিউব ঘাটাঘাটি,ইউটিউবে সার্চ দিয়ে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায় কিভাবে কি করা যায় তা নিয়ে অনেক গবেষণা চালাতে থাকলো এবং অনেক চেষ্টা করল।কিন্তু অবশেষে ফলাফল জিরো কিছুই করতে পারল না সে।এভাবে হঠাৎ একদিন ইউটুবে তার চোখে পড়লো একটা ইন্টারভিউ ভিডিও যেখানে দেখাচ্ছে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়।সে সেটা খুব মনোযোগ সহকারে দেখল, তখন অবশ্য সে ভালো ইংরেজি জানত না তাই সে অনেক কস্ট করে গুগলে ট্রান্সলেটার ব্যবহার করে কনভারসেশন টা কে বাংলায় কনভার্ট করে বোঝার চেস্টা করল এবং সেই ইউটিউব চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করে রাখল।আর সেটাই ছিল তাঁর প্রথম ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব।

    তখন সে ফিল্যান্সিং বলতে যেটা বুঝেছিল যে দেশে বসে বিদেশের কাজ করাটাই হচ্ছে ফ্রীলান্সিং, আর সেটা হচ্ছে দেশে বসে গাড়ি চালানো বা অন্য কিছুর কাজ এর visa এর কাজ করা মনে হয় ফ্রিলেন্সিং।তখন ফ্রিল্যান্সিং নামটাই একদম নতুন ছিল তার কাছে।ইউটুবে সে ফ্রিল্যান্সিং লিখে সার্চ দিবে তা না দিয়ে সে বানান ভুল করে অন্য পিলেনকিন নাম দিয়ে অনেক সার্চ দিয়েছিল।কিন্তু কিছুই আসল না।কয়েকদিন পর ওই চ্যানেলে নতুন আরও একটি ভিডিও আপলোড হল ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে। তখন সে ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে দেখল এবং সে খুব ভালোভাবে ক্লিয়ার হলো যে ফ্রিল্যান্সিং জিনিসটা আসলেই কি? সে চিন্তা করল যে গ্রাফিক্স নিয়ে সে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করবে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার জন্য তার প্রয়োজন একটি ল্যাপটপ।কিন্তু ল্যাপটপ কিনতে তো অনেক টাকা লাগবে সে টাকা পাবে কোথায়? কিন্তু তার ল্যাপটপ কিনতেই হবে।

    সে টাকা জমানো শুরু করল, তার বাসায় একটি বড় লোহার চাকা ছিল, সেটি সে চুরি করে বিক্রি করল এবং সেটি বিক্রি করে পাচ হাজার টাকা পেল।অন্যদিকে সে আগের মত করে আবারো সকালে সুপারি কুড়াতে শুরু করল এবং দিনের বেলা রাজমিস্ত্রির সাথে কাজ এবং সন্ধ্যার সময় বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতে থাকল। তার ক্লেশ অফ ক্লেন এ প্রায় ১৫ টি ইউজার আইডি ছিল। সে একাই ১৫ টি আইডি ব্যবহার করে গেম খেলত।সে তার সবগুলো আইডি বিক্রি করে ফেলল এবং সেখান থেকে ৩ হাজার টাকা পেল।১৭ দিন পর গুনে দেখল যে তার সব মিলিয়ে ১৯ হাজার টাকা হয়েছে।সে ল্যাপটপ কেনার জন্য এতটাই মত্ত ছিল যে মাত্র ১৭ দিনে সে ১৯ হাজার টাকা ম্যানেজ করেছিল। তখন আর তর সইল না তার,কিনেই ফেলবে ল্যপটপ।অপেক্ষা করা অসম্বভ।পরে সে ওয়ালটনের শো-রুম গেল এবং সেখান থেকে মোটামুটি সেলেরন প্রসেসর এর একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার ১৯,৫০০ টাকা দিয়ে নিলো।

    তারপর সে শুরু করল কাজ।ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর দিয়ে গ্রাফিক্স এর কাজ করতে হয়।তখন সে ফটোশপ ১৮ ভার্সনের সফটওয়্যার টা ইন্সটল দিয়েছিল, কিন্তু তার কম্পিউটারে এই ফটোশপ সফটওয়্যার ওপেনই হচ্ছে না।ইলাস্ট্রেটর টা কোন রকমে ওপেন হয়েছিল।এভাবে অনেকদিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার পর অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইবার এ একটি অ্যাকাউন্ট ও খুলেছিল সে।অনলাইনে অনেক বিট করার পরও সে কোন কাজ পেল না আবারও ব্যর্থ সে।

    পরবর্তীতে সে ওই ইউটিউব চ্যানেলে দেখল যে কিভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করা যায়। শুরু করল ওয়েভ ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ। অনেকদিন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে গেল।একসময় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ভালো একটি দক্ষতা হওয়ার পর মার্কেটপ্লেসে শুরু হলো কাজ। কাজ ভালো করায় মোটামুটি মার্কেট থেকে অনেক কাজ আসতে থাকলো তার।১০০,২০০ডলার থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে তার এক একটা প্রজেক্ট ১০০০, ২০০০ ডলার পর্যন্ত হয়েছে।দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া একটি ছেলে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।

    এভাবে একদিন সে একটি নৌকায় করে কোথাও যাচ্ছে। তখন তার এক নাইজেরিয়ান ক্লাইন্ট তাকে ফোন করল এবং সে তার সাথে কথা বলল ইংরেজিতে ।ওই নৌকা তে ছিলেন একজন বাংলা সাহিত্যিক এবং প্রফেসর।তিনি রাজুকে জিজ্ঞেস করলেন যে সে কোন দেশে থাকে এবং কি করে? রাজু বলল যে সে বাংলাদেশের থাকে এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে।দেশে বসে বিদেশিদের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজকর্ম করে দেয়।রাজু তার সম্পূর্ণ ডিটেইলস বলল, তখন প্রফেসর তার সম্পূর্ণ ডিটেইলস শুনে অবাক হয়ে গেলেন। তখন তিনি তাদের এক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ওয়েব সাইট বানানোর অফার দিলেন এবং বললেন যে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একটি প্রোগ্রাম রিলেটেড এটি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেখানে আসবেন ।