KiHobe Latest Articles

Sarwar Hussain
  • 0

পৃথিবীর ৬টি আশ্চর্যজনক দ্বীপ

  • 0
পৃথিবীর ৬টি আশ্চর্যজনক দ্বীপ

Leave an answer

You must login to add an answer.

1 Answer

  1. পৃথিবীর ৬টি আশ্চর্যজনক দ্বিপঃ

    ১. পেলমাইরা আইল্যান্ডঃ আমেরিকার এই এইলেন্ডটা অদ্ভুত ধরনের আকৃতির, এটা দেখেতে কোন ভাবেই অন্য কোন সাধারণ আইলেন্ডের মত না। এই আইলেন্ডের চারদিকে গাছপালায় ভর্তি কিন্তু কোন মানুষ এখানে থাকেনা। কারন একে একটা অভিশপ্ত দ্বিপ মনে করা হয়। ভহো বছর ধরে এই আইলেন্ডটাকে একটা ভুতুড়ে আইলেন্ড মনে করা হয়ে আসছে। এই এলাকায় যদি কোন জাহাজ যায় সেটা বরবাদ হয়ে যায়। এই আইল্যান্ডে অনেক জাহাজ জলের গভীরে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা আছে। যারা জিবন নিয়ে বেছে ফিরে এসেছে তারা এখানে ভূতের আবির্ভাব আছে বলে বর্ননা করেছে। কিছু মানুষ এ রকম বলেছে যে এইখানে অদ্ভুত ধরনের লাইটের আলো দেখতে পায় আরও মানুষের বসবাস না থাকা সত্ত্বেও বিকট ধরনের আওয়াজ শুনা যায়। যে আওয়াজ গুলা না মানুষের না জানুয়ারের। এই আইলেন্ডের সম্পর্কে একটা গল্প প্রচলিত আছে যে আই আইল্যান্ডে গুপ্তধন আছে কিন্তু তার অবস্থান সম্পর্কে কেও জানেনা। এই আইলেন্ডে যারা জায় তারা জীবিত ফিরে আসতে পারেনা। কেও কেও এমন বলে যে এই আইল্যান্ডে একটা আত্তা আছে যা গুপ্তধন পাহারা দেয়।

     ২. ইসা ডে লাস মনিকাস যার আরেক নাম আইল্যান্ড অফ ডলসঃ মেক্সিকোতে অবস্থিত এই আইলেন্ডে অদ্ভুত ধরনের প্রথা আছে এই আইলেন্ডের যারা মারা যায় তাদের নামে একটু পুতুল লটকানো হয় মনে করা হয় অই পুতুলের মধ্যে অই আত্তা টা চলে যায়। যে সমস্থ মানুষ রিসার্চ করতে গিয়েছে তারা দেখে যে এই পুতুলগুলা খুব খারাপ অবস্থায় আছে পচে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।একলোক ঘটনা সত্যতা যাছাইয়ের জন্য গিয়েছিল রাত ১১.৪৫ মিনিটে দেখে একটি বাচ্ছার কান্নার আওয়ার এবং একতি পুতুল হাটছে সে দেখে দ্রুত দৌড়ে পালায়ন করে চলে আসে।

     ৩. পলভেজলিয়া আইল্যান্ডঃ এই আইল্যান্ডটা পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়নকর আইল্যান্ডের মধ্যে একটা, এর শক্তি গল্পটা অনেক ভয়ংকর, একে পৃথিবীর সবচেয়ে ভূতুরে দ্বিপও বলা হয়। ১৪০০ শতাব্দিতে ইতালিতে একটা রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছিল তার নাম ছিল প্লেগ রোগ সেই সময় যে সমস্থ মানুষ এই রোগ এ অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল তাদের এই দ্বিপ এ পাঠানো হয়েছিল যাতে অন্য মানুষ আক্রান্ত না হয়। কিন্তু ১৯২০ সালের পর এটাকে মেন্টাল হাস্পাতালে রুপান্তর করা হয়। হে সমস্থ ডাক্তারেরা এইখানে থাকতেন তারা রিপোর্ট করতেন যে সমস্থ মানুষ ইনফেক্টেড হয়ে এইখানে ছারা হয়েছিল তাদের আওয়াজ আজ ও সোনা যায়। যেন তারা কাসছে। বেথার জন্ত্রনায় কাধছে। এর পর এই হসপিটালিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে যে একটা আওয়াজ তাকে বলছিল এখান থেকে চলেযাও আর কখনও ফিরে আসবেনা। ইতালিয়ান টুরিজম বোরো জনসাধারনকে এইখানে জাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি যে এই আইল্যান্ডে যেতে চান আপনাকে অনেক ধরনের পারমিশন নিতে হবে।

     ৪. স্কট্রা আইল্যান্ডঃ ভারত মহাসাগরের অবস্থিত এই আইল্যান্ডের ফ্যাক্ট সুনলে মনে হবে যে এটা কোন অন্য পৃথিবির আইল্যান্ড। কিছু লোক মনে করে যে ঐতিহাসিক গার্ডেন অব ইডেন এর কথা আমরা শুনেছি সেটা আর অন্য কোথাও নেই এই দ্বিপে অবস্থিত।এর আসল ছবিগুলো দেখেল বুজতে পারবেন একে রহস্যময় বলা হয় কেন।

     এই আইল্যান্ডে আপনি এমন গাছ দেখতে পারবেন যে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখতে পারবেন না। ছোট ছুট গাছ যার বড় বড় জড় আর তার উপর আছে ছোট ছোট ডালপালা আর সেখানে অদ্ভুত ফোল ফুটে দেখে মনে হয় ব্যাঙ্গের ছাতা, কিছু থিওরি আছে যাতে বলা আছে এই আইল্যান্ডেটা কিছু এক্সপ্রিমেন্টের ফল
    কিছু লোক বলে এই এক্সপ্রিমেন্টগুলা নাকি এলিয়েনরা করেছিল। গাছের সাথে সাথে এইখানে অনেক পাখি দেখা যায় যেগুলি আপনি অন্য কোথাও দেখতে পাবেন না।

     ৫. পাথর আইল্যান্ডঃ পৃথিবীতে আমরা অনেক আইল্যান্ডে দেখেছি বা জেনেছি কিন্তু এই আইল্যান্ডেটি অন্য একটা নাম না জানা আইল্যান্ড। একদা এক বিমান চালক বিমানের ককপিট থেকে দেখেন যে হতাঠ এই দ্বিপটা পানি থেকে উঠে যায়। সাথে সাথে তিনি তার রার্ডারে চেক করলে দেখেন এইখানে ম্যাপ এ কোন দ্বিপের অস্থিস্হ নাই। এই ঘটনাটা হয়ে ছিল ১লা অগাস্ট ২০১২, ঘটনাটি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড থেকে ৮০০ কিঃমিঃ দূরে, এই অদ্ভুত ঘটনাকে পাইলট সাথে সাথে তার হাইয়ার আথরিটিকে রিপোর্ট করেন এবং তারা সংগে সংগে সিদ্ধান্তনেয় যে তারা জানতে চায় কিবাভে এই দ্বিপটি হঠাৎ আবির্ভাব হল। তাই তারা ছুটে চলে দিপের কাছে। প্রথমে তারা নাসার সেটেলাইট চিত্র দেখে তাতে তারা অবাক হয়যে গতকাল পর্যন্তও এইখানে কিছুই ছিল না আর দ্বিপটা যে হঠাৎ প্রকট হয়েছে তেমন না দ্বিপটা নরাচরা করছিল। সাইন্টিসরা দেরি না করে সেখানে যায় তাদের মধে প্রচোর কতোহল ছিল যে এটা আসলে কি তারপর তারে সেখানে যাওয়ার পরে দেখে যে সেটাতো মোটেও অন্য আইল্যান্ডের মত না,বরং এটা একটা বড় পাথরখন্ড যা পানির উপর ভাছসে।
    এটা কি একটা আশ্চর্যজনক মনে হয়না যে পাথর পানির উপর ভাসছে। এটা দেখেল মনে হয়না যে পৃথিবীর অনেক আশ্চর্যজনক জিনিস আছে যা আমাদের জানা নাই। আজ আমরা যত আইল্যান্ড সম্পর্কে জানলান তার মধ্যেই শুধু এই আইলেন্ডের রহস্য পাওয়া গিয়েছে সাইন্টিস্টরা এই পাথরের সেম্পল নিয়ে এসে ল্যাবে টেস্ট করেন৷ তারপর তারা দেখে এই পাথরটা অনেকগুলো পাথরের সমস্টি ছিল যেসব পাথর মিলে একটা বড় পাথরের রুপ নিয়ে ছিল একে পিউমিছও বলা হয়ে থাকে। পানির মধ্যে যেসব বলকেন থাকে তাদের সাধারণত আন্ডারগ্রাউন্ড বলকেন বলা হয়ে থাকে বলকেনোর গরম লাভা জখন গরম পানির স্পর্শে আসে তখন যে ইরেকশনটা হয় তা একটি অদ্ভুতটাইপের আর এরফলে বলকেনোর পার্টগুলো চারদিকে ছরিয়ে যায় এবং এই পাথরগুলো এ রকম হয়যে তারা পানিতে ভাসতে পারে। এই রহস্যময় বেপারটাতো সাইন্সাটিসরা উদঘাটন করেন কিন্তু আশ্চর্যজনক হল যে এই পাথরগুলো একসাথে কিভাবে হল। এর উত্তর জানা নেই।

    ৬. ভলকেন্ট পয়েন্ট আইল্যান্ড( লুজন)ঃ এই আইল্যান্ডেটা নিজের আক্রিতির কারনে স্পেশাল এই আইলেন্ডের ভীতর আরেকটা আইলেন্ড আছে এমনই করে কয়েকটি আইলেন্ড এবং লেক আছে। ফিলিপিনের এই আইলেন্ডের নাম লুজন, লুজনের মাজখানে আরেকটা আইলেন্ড আছে তার নাম হল টেল লেক। টেল লেকের মাঝখানে আরেকটি আইল্যান্ডে আছে এবং এই আইলেন্ডের মাঝখানে আরেকটি লেক আছে এই ছোট্টো লেকের মাঝখানের পয়েন্ট আরেকটি আইল্যান্ডে সেটাকেই ভোলকেন্ট আইল্যান্ড বলা হয়। এই ছোট্টো আইল্যান্ডটি ফেমাস হওয়ার মূল কারন এটাতে জলন্ত অগ্নিগিরি আছে। বেপারটা অনেক মজার না। একটা আইল্যান্ডের মধ্যে একটা লেক সে লেকে আবার আরও আইল্যান্ডে এবং একেকটার ভিতরে লেক আবার আইল্যান্ড এবং সর্বপরি সব শেষেরটার মাঝে আগ্নেয়গিরি।